পুণ্ড্রের পাঁচালী-১৩ (মঙ্গোলকোটের দেবী মনসা)
পুণ্ড্রের পাঁচালী-১৩ (মঙ্গোলকোটের দেবী মনসা) সাজেদুর রহমান দেবী মনসা আদি-দরজায় চৌদ্দ-পনের বছরের অপরূপ রূপবতী একটি কিশোরীর মুখ দেখা গেল। মেয়েটির নাম ঘৃতাচী , সে কিরাত কন্যা -সাপের বিশ ঝাড়ার ক্ষমতার আয়ত্ত করেছে। ঘৃতাচী বড়ই অবাক হয়েছে। তার জীবনে এমন বিস্ময়কর ঘটনা কিভাবে ঘটে গেল। তাই শুনে রাতদুপুরে সাধু সাধু চেহারার লকগুল এসে পুঁজ দিতে চাচ্ছে। আগামিকাল সখীদের গল্পটা কিভাবে বলবে, তা ভেবেই তার মাথা গরম হয়ে যাচ্ছে। গল্পটা অনেকেই হয়তো বিশ্বাস করতে চাইবে না। সন্ন্যাসী ধরনের লোকগুলোর নাম জানতে পারলে ভালো হতো। ঘৃতাচী ফিসফিস করে তার মাকে বলল, মা, এই পূজার অর্ঘ কি আমি গ্রহণ করব? ঘৃতাচী র মা নিচু গলায় বলল, জানিনা। দেখি তোর দিদিমা কী বলেন। ঋষি মতো এসব লোকজন কে মা? জানি না। ঋষি মতো লোকগুলোর মধ্যে বয়োজ্যেষ্ঠ একজন দিদিমার দিকে তাকিয়ে আনন্দিত গলায় বলল, দেবতার বরপ্রাপ্ত মেয়েটি কি আপনার গোত্রের? বড়ই দিব্য লক্ষণা। সে সাপের বিষ নাশের ক্ষমতা পেয়েছে। ...